Doshi/Pallasmaa: Two Talks and a Conversation – Post Event Press Release

15th November, Tuesday, Krishibid Institution Bangladesh

Organized by: Bengal Institute for Architecture, Landscapes and Settlement and Bengal Foundation.


Event website:
Facebook Event Page:
Graphics: Digital banners | Event Poster | Image resources
Selected Photos: Download.
Audio recordings: Download.

The second Bengal Architecture Symposium was organized by Bengal Institute for Architecture, Landscapes and Settlements and Bengal Foundation to honour the works and philosophy of two renowned architects, Balkrishna Doshi and Juhani Pallasmaa. The event took place at Krishibid Institution, Bangladesh (KIB) Auditorium on 15th November, Tuesday, 2016. Over 1000 people were in the audience, which included architecture students, professionals, academics and more.

The first talk was a lecture by master Indian architect, Balkrishna Doshi, where he first expressed his gratitude and experience of visiting Dhaka. He commented on the similarity in vitality and energy between India and Bangladesh. He talked about his journey of negating, pursuing, understanding or analyzing architecture. He mentioned that he learnt the craft of architecture from Le Corbusier and Louis Kahn.

He also talked about the diversity of life in India and the need for recognizing it. He says it is important to acknowledge this diversity even in architecture.

He mentioned the role of architecture with respect to social reconstruction. According to him, architecture must bridge the gap between communities and act as a connection between its people. In accordance to that, the role of an architect must be similar to that of a social activist. He believes an architect must create transformation, change and awareness. In short, the architect must be an active member of society.

Doshi also discussed some of his projects, namely the Indian Institute of Management in Bangalore, Kanoria Center for Arts in Kolkata and Sangath in Ahmedabad.

After a short break, the second talk began which was by renowned Finnish architect and thinker, Juhani Pallasmaa. He started off his talk with the thought that architecture is a choreography of life. He says that there is interaction and resonance of life within architecture. Perceptions have a distinct imaginative component. Architects have failed to understand atmospheres in our consciousness and imaginations.

Pallasmaa categorized imagination into two quantitative types: the formal imagination which is primarily engaged with topological facts; and the empathetic imagination which evokes multisensory, integrated, and lived experiences of flesh.

According to him, artistic works are not symbols or metaphors of something else, they are authentic realities. All art exist in two realms simultaneously – one of physical matter and execution and another of mental imagery. He believes that even the art of poetry is engaged with the material world and the body.

The two talks were followed by a discussion which was moderated by Kazi Khaleed Ashraf.
Here, the topic of discussion was interpretational/methodological process, in relation to the purpose of drawing. The architects discuss the challenges and distinction between use of charcoal vs computational method. Pallasmaa said that drawing is the process of bringing imagination to life. He said that today’s way of life makes use of technology in a way that leads to loss of knowledge on environment.

Balkrishna Doshi mentioned that the nature and imagery of Dhaka city has disappeared from our minds. He said that we do not know what to prioritize in life and thus the city is losing its natural assets. Afterwards, both the architects answered questions from the audience members and the event drew to a close with the two guests thanking Bengal Institute for inviting them.

বেঙ্গল ফাউন্ডেশন  এবং বেঙ্গল ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে বিশিষ্ট ভারতীয় স্থপতি বালকৃষ্ণ দোশী ও  ফিনিশ স্থপতি ইউহানী পালাজমার কথোপথোন নিয়ে আয়োজিত হল দ্বিতীয় স্থাপত্য সেমিনার। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের অডিটোরিয়ামে যেখানে অংশগ্রহণ করেন এক হাজারেরও বেশি দর্শক। বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরীর বক্তব্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হয়।

প্রথমে বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট ভারতীয় স্থপতি বালকৃষ্ণ দোশি। নদী কীভাবে ভূমিবিন্যাস-এর  সাথে মিলে যায়, তার গতিপথ, তার অনুভুতির কথা উল্লেখ করে তিনি মানুষের  মনের জিজ্ঞাসার কথা বলেন।  “আমি কি, আমি কি করছি?” – স্থাপত্যচর্চা করতে হলেও এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তিনি লি কর্বুজিয়ারের সাথে কাজ করতে গিয়ে তার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কিভাবে স্থাপত্য শিক্ষা লাভ করেছেন তার বর্ণনা তুলে ধরেন। তিনি তার ব্যক্তিগত স্থাপত্য চর্চার পথাচলার নানা বিষয় তুলে ধরেন।

স্থাপত্য কেমন হতে পারে সে ব্যাপারে বলতে গিয়ে  তিনি বাসস্থানের ব্যাপারে মানুষের আরাম, জায়গার ব্যবহার, আলো বাতাসের চলাচলের কথা বলেন। তার মতে স্থান হলো প্রাণবন্ত ব্যাপার। তার মতে, এক জায়গাকে নানাবিধ ব্যবহারের মাধ্যমে সেটাকে আরো অর্থবহ করে তোলা যায়। সেই সাথে প্রকৃতির সাথে যোগাযোগের কথাও বলেন দোশি।


চরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন স্থাপত্য চর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়ার কথা বলেন। সমাজে স্থপতির ভূমিকা উল্লেখ্য করতে গিয়ে তিনি সমাজের ছোট, বড় নানা পর্যায়ে, গৃহহীন থেকে শুরু করে নানা পেশা আয়ের মানুষের জন্য কাজ করার কথা বলেন । তিনি স্থাপত্যকে জৈবিক বিন্যাসের সাথে তুলনা করেন। স্থপতির কাজ কেবল দালান নকশার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজের বিন্যাস ও পুনর্বিন্যাসেও ভুমিকা রাখতে পারে।

দ্বিতীয় বক্তা ছিলেন ফিনিশ স্থপতি ও লেখক  ইউহানী পালাজমা, যিনি প্রথমেই বলেন যে তিনি নিজেকে স্থাপত্যের তত্ত্ববিদ হিসেবে দাবি করতে চাননা। তার মতে, স্থাপত্য জীবনের নৃত্য পরিকল্পনা। তিনি কিভাবে জ্যমিতিক বিন্যাসের মধ্যে জীবনের বিস্তৃতি ঘটে তা নিয়ে বলেছেন। তার বিশ্বাস, স্থপতিরা পরোক্ষ ভাবে মানুষের মস্তিষ্ক ও অনুভুতি নিয়ে কাজ করে।

বিজ্ঞানীদের মতে পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতা আমাদের ব্যবহারে ভীষনভাবে প্রভাব ফেলে। পালাজমা মনে করেন, স্থাপত্যের স্থান কেবল মাত্র নির্দিষ্ট কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তা কোন না কোন ভাবে অনুভুতি ও নিউরনের সাথে যুক্ত। তার মতে, স্থপতিরা এই অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করেনা। এখানে তিনি  দুই ধরনের কল্পনার কথা উল্লেখ করেন। এক ধরনের কল্পনা জ্যামিতিক বা আকার আকৃতি নিয়ে, আরেক ধরনের কল্পনা মানুষের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা নিয়ে।

সিম্পোজিয়ামের শেষ অংশে ছিল আলোচনা পর্ব। এতে কাজী খালিদ আশরাফ, ইউহানী পালাজমা ও বালকৃষ্ণ দোসী অংশ নেন। আলোচনা পর্বের একটি মূল বিষয় ছিল সৃজনশীল কল্পনায় কম্পিউটার ও হাতে আঁকার চিত্রের ব্যবহার নিয়ে। দোশি বলেন যে আমরা মানুষের মুহুর্তের কথা ভাবিনা এবং বর্তমান নগরে যানবাহন মানুষের অনুভূতির চেয়ে বেশী জরূরী হয়ে উঠছে। তিনজন স্থপতি আরো আলোচনা করেন নগর পরিকল্পনা এবং নগর গঠনে স্থপতির ভূমিকা নিয়ে।  


Written and compiled by: Tazrin Ahmed, Farhana Rashid, Farhat Afzal

Photo by: Afzalur Rahman Xelon